২০১৬ সালের আগপর্যন্ত চীনে মা–বাবার বিয়ের বৈধ প্রমাণপত্র ছাড়া তাঁদের সন্তানের জন্মসনদ ইস্যু করা নিষিদ্ধ ছিল।
তা ছাড়া স্কুলে ভর্তিসহ নানা কাজে চীনের প্রত্যেক নাগরিকের পরিচয়পত্রের প্রয়োজন পড়ে। এটি পাওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানের মাতাপিতা উভয়ের পরিচয়সংক্রান্ত নথি দিতে হয়।
বিবিসির সংবাদদাতা স্টিফেন ম্যাকডোনেল দুই দশক আগে প্রথম চীনে গিয়েছিলেন। তখন দেশটির অবিবাহিত নারীরা বলেছিলেন, যদি তাঁরা দুর্ঘটনাক্রমে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন, তাহলে গর্ভপাত করা ছাড়া তাঁদের আর কোনো উপায় নেই না। কারণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া চীনে একটি শিশুর পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
এমনকি নিয়মে পরিবর্তন আসার পরও চীনে বেশির ভাগ অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে গত বছর পর্যন্ত সন্তান ধারণের কথা চিন্তা করা কার্যত অসম্ভব ছিল। কারণ, হাসপাতাল খরচের অর্থ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা তাঁরা পেতেন না। আবার বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটিও তাঁরা পেতেন না।
এই দুই ক্ষেত্রে তথাকথিত পরিবর্তন এসেছে। তবে বাস্তবের পরিস্থিতি এখনো কঠিন। অনেক কোম্পানি এখনো একলা মায়েদের এসব অধিকার দিতে চায় না।
এ-সংক্রান্ত মামলা নিয়ে কাজ করেন, এমন একজন আইনজীবী বলেন, বিষয়টি আসলে কোম্পানির খোলা মানসিকতা ও কর্মীদের অধিকারের বিষয়ে চাকরিদাতার সচেতনতার ওপর নির্ভর করে। তা ছাড়া স্থানীয় নীতিগুলোও অস্পষ্ট।